Monday, August 8
Shadow

বেহেশতে তোমাদের দেওয়া হবে আদা মিশ্রিত পানীয়।”

“বেহেশতে তোমাদের দেওয়া হবে আদা মিশ্রিত পানীয়।”

আল কোরান, সুরা দাহর

“And they shall drink therein a cup tempared with Zan Jabil ( Ginger)

আদার মতো নগ্ণ্য কন্দমুল যা বাংলাদেশের ঝোপঝাড়ে জন্মে,  তার স্থান হয়েছে বেহেশতের পানীয়তে?

অদ্ভুত ব্যাপার না?

বিপুল  উৎসাহে কোন কাজে লেগে পড়া কে আমরা বলি আদাজল খেয়ে লাগা।

এই বাগধারা টা কেন এসেছে?

আদা পানি খেয়ে দেখেছি অতি অখাদ্য। আমেরিকায় Ginjer Beer নামে এক ধরনের পানীয় আছে। আদা চিনি ক্রিম অব টারটার  পানিতে মিশিয়ে ইষ্ট দিয়ে ফার্মেন্টড করে এই পানীয় তৈরি। সেটাও আখাদ্য। ( অখাদ্য না বলে অপেয় বলা উচিত। তবে অখাদ্য শুনতে ভালো লাগে) আধার রসায়ন হচ্ছে আদায় আছে শতকরা 2 ভাগ “Essential oil” যার প্রধান অংশ Gingiberene আধার ঝাঁজালো ব্যাপারটা আসে Zingerene থেকে কিছু লবণ থাকে (Potassium Oxalate) আর থাকে Terpenoids ( Comphene, cineol,citral,Shogaol,gingerol,bomrol ইত্যাদি।) ভেজ (আর্দ্র) মাটিতে জম্নে বলে এর নাম আদ্রক। বোটানিক্যাল নাম Zingiber spectabile. তিব্বিয়া হাবিবিয়া কলেজের প্রভাষক হেকিম মাওলানা মোহাম্মদ মোস্তফা “আম আদা” নামের এক আদার উল্লেখ করেছেন (রোগ উপকারী গাছ গাছালি ও লতাপাতা)। এই আদা শুধু আচার তৈরিতে ব্যবহার হয়। ভারতীয় এবং চৈনিক ভেষজবিদ্যা আদার ঔষধি গুনাগুন হাজার বছর আগেই জানতেন অস্ট্রেলিয়ায় আদিবাসীরা নানা রোগের আদা ব্যবহার করে আসছেন।

আয়ুর্বেদ চার্য শিবকালী ভট্টাচার্য রোগ প্রতিকারে আদার যেসব ব্যবহারের কথা বলেছেন তার কয়েকটি হল

অক্ষদ্বয় এবং অরুচিতে

অক্ষদ্বয় এবং অরুচিতে খাবারের আগে সন্ধব লবণ দিয়ে সামান্য আদা খাওয়া।

সর্দি জরে

আদার রসে মধু মাখিয়ে খাওয়া।

নেফ্রাইটিসে

রোগির খাবারের সঙ্গে আদার রস বা শুঠের ( শুকনো আদা) গুড়া মিশিয়ে খাওয়া।

পুরনো আমাশয়

গরম পানিতে শুঠের গুড়া মিশিয়ে খাওয়া।

মাড়ি ফোলা রোগে

দাতের গুড়ায় যন্ত্রণা এবং মাড়ী ফুলে রক্ত বের হলে গরম পানিতে ২ চামুচ আদার রস মিশিয়ে  ১০-১৫ মিনিট মুখে ধরে রাখতে হবে।

প্রথম আলোর রিপোট

রক্তপাত বন্ধ করতে

শুকনো আদার গুড়া কেটে যাওয়া জায়গায় চেপে ধরলে রক্ত বন্ধ হবে

আরো জানতে

1 Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.