Monday, August 8
Shadow

Month: September 2021

সালাতুল হাজাত আদায়ের নিয়ম।

সালাতুল হাজাত আদায়ের নিয়ম।

আলোচনা ও আমল
সালাতুল হাজাত আদায়ের নিয়মঃ সালাতুল হাজাত বা ‘প্রয়োজনের নামাজ’ একটি বিশেষ নফল ইবাদত। মানুষের বিশেষ কিছুর প্রয়োজন হলে কিংবা শারীরিক-মানসিকভাবে কোনো দুশ্চিন্তা দেখা দিলে এ নামাজ পড়তে হয়। বিশেষ কোন হালাল চাহিদা পুরনের জন্য আল্লাহ’র উদ্দেশ্যে দুই রাকাত নফল সালাত আদায় করাকে “সালাতুল হাজত” বলা হয়। সালাতুল হাজতের গুরুত্ব ও ফযিলত: পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘সঙ্গত কোনো প্রয়োজন পূরণের জন্য বান্দা নিজ প্রভুর কাছে ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করবে।’ [সুরা বাকারা : আয়াত-১৫৩]। হুযায়ফা (রাঃ) বলেনঃ রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন কোন সংকটে পড়তেন, তখন সালাতে রত হতেন।[ আবু দাউদঃ ১৩১৯; সালাত অধ্যায়-২, অনুচ্ছেদ-৩১২; ছহিহুল জামেঃ হা/৪৭০৩; মিশকাতঃ ১৩১৫] এই বিষয়ে হযরত ইবরাহিম (আঃ) এর ঘটনা স্মরণ করা যেতে পারে। যখন তিনি অপহৃত হয়ে মিশরের লম্পট ব...
তাহাজ্জুদ নামাজ আদায়ের নিয়ম ।

তাহাজ্জুদ নামাজ আদায়ের নিয়ম ।

আলোচনা ও আমল
তাহাজ্জুদ নামাজ আদায়ের নিয়মঃ আরবি ‘তাহাজ্জুদ’( تهجد )শব্দের আভিধানিক অর্থ রাত জাগরণ বা নিদ্রা ত্যাগ করে রাতে নামাজ পড়া। শরিয়তের পরিভাষায় রাত দ্বিপ্রহরের পর ঘুম থেকে জেগে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য যে নামাজ আদায় করা হয় তা-ই ‘সালাতুত তাহাজ্জুদ’ বা তাহাজ্জুদ নামাজ। ফরজ নামাজের পর সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ নামাজ হলো তাহাজ্জুদ। পবিত্র কোরআনে তাহাজ্জুদ আদায়ের প্রতি উৎসাহিত করা হয়েছে। রাতের তাহাজ্জুদ নামাজ হল সমস্ত আম্বিয়াগণের সুন্নাত। আল্লাহ তায়ালার মাহবুব বান্দাগণের অভ্যাস। আর আল্লাহর সাথে বান্দার গভীর সম্পর্ক স্থাপন তথা নৈকট্য ও সন্তোষ অর্জনের অন্যতম পন্থা। তাহাজ্জুদের ফজিলত প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘রাতের কিছু অংশে তাহাজ্জুদ নামাজ কায়েম করুন। এটা আপনার জন্য এক অতিরিক্ত কর্তব্য। আশা করা যায়- আপনার প্রতিপালক আপনাকে প্রতিষ্ঠিত করবেন মাকামে মাহমুদ তথা প্রশংসিত স...
স্ত্রীর সাথে মিলনের জন্য কি তাঁর অনুমতি নেয়া প্রয়োজন ?

স্ত্রীর সাথে মিলনের জন্য কি তাঁর অনুমতি নেয়া প্রয়োজন ?

প্রশ্ন ও উত্তর
স্ত্রীর সাথে মিলনের জন্য কি তাঁর অনুমতি নেয়া প্রয়োজন ? যদি কোন স্বামী তার স্ত্রীকে বিছানায় ডাকে (যেমন- সঙ্গম করার জন্য), আর সে প্রত্যাখান করে ও তাকে রাগান্বিত অবস্থায় ঘুমাতে বাধ্য করে, ফেরেশতারা সকাল পর্যন্ত তাকে অভিশাপ করতে থাকে। [বুখারি, ইংরেজি অনুবাদ ভলি- ৪/বুক-৫৪/৪৬০] একটু ভালো করে লক্ষ্য করুন, স্ত্রী স্বামীর ডাকে সাড়া না দেওয়ায় স্বামী রাগান্বিত হয়ে কী করছে? স্ত্রীর ওপর জোর-জবরদস্তি করে নিজের যৌন অধিকার আদায় করে নিচ্ছে? নাকি ঘুমিয়ে পড়েছে? এই হাদিসে নারী কর্তৃক স্বামীর ডাকে সাড়া না দেওয়ার কারণে স্ত্রীর সমালোচনা করা হলেও পুরুষকে কিন্তু জোর-জবরদস্তি করে নিজ অধিকার আদায়ে উত্সাহিত করা হচ্ছে না। আবার স্ত্রী যদি অসুস্থতা বা অন্য কোন সঙ্গত ওজরের কারণে যৌনাচার হতে বিরত থাকতে চান, তবে তিনি কিছুতেই এই সমালোচনার যোগ্য হবেন না, কেননা ইসলামের একটি সর্বস্বীকৃত নীতি হচ্ছে: আ...
মাহরাম ও গায়রে মাহরামদের নিকট নারীদের পর্দা কেমন হবে?

মাহরাম ও গায়রে মাহরামদের নিকট নারীদের পর্দা কেমন হবে?

নারীদের আমল
মাহরাম ও গায়রে মাহরামদের নিকট নারীদের পর্দাঃ যৌনাঙ্গকে হিফাজত করতে হবে।যৌনাঙ্গকে হিফাজত করা ও সংযত রাখা পর্দার বড় বিধান। আল্লাহ তা‘আলা নারী-পুরুষ উভয়কে যৌনাঙ্গ হিফাজত করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেছেন।যৌনাঙ্গকে হিফাজত করার অর্থ হল – কুপ্রবৃত্তি চরিতার্থ করার যত পন্থা প্রক্রিয়া আছে, সবগুলো থেকে যৌনাঙ্গকে দূরে রাখা। এতে ব্যভিচার, সমমৈথুন, হস্তমৈথুন, ঘর্ষণ ইত্যাদি সব কাম চরিতার্থমূলক কর্ম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কাম প্রবৃত্তির প্রথম ও প্রারম্ভিক কারণ হচ্ছে দৃষ্টিপাত করা ও দেখা এবং সর্বশেষ পরিণতি হচ্ছে ব্যভিচার। সূরাহ নূরের ৩১ নং আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা এসব বিষয় জোড়ালোভাবে নিষিদ্ধ করে হারাম করে দিয়েছেন। সেই সাথে এতদুভয়ের অন্তর্বতী ভূমিকাসমূহ যেমন – পরস্পর কথাবার্তা বলা, শোনা, স্পর্শ করা, চিঠিপত্র বা এসএমএস আদান-প্রদান করা ইত্যাদি সবই নিষিদ্ধ ও হারাম পরিগণিত হয়েছে। গাইরে মাহরামদের...
দ্রুত বিবাহের জন্য কিছু প্রয়োজনীয় আমল।

দ্রুত বিবাহের জন্য কিছু প্রয়োজনীয় আমল।

আলোচনা ও আমল
বিষয়:- নারীদের জিজ্ঞাসা সংক্রান্ত। বিয়ে হচ্ছেনা, কী করব? দ্রুত বিবাহের জন্য নির্দিষ্ট কোনো আমল আছে কী? জবাবঃ দ্রুত বিয়ের জন্য নির্দিষ্ট কোনো আমল নেই। বিয়ের নির্দিষ্ট আমল না থাকলেও আল্লাহর নিকট দোয়া ও কিছু আমল করা যাবে, যার ফলে আল্লাহ চাইলে দ্রুত বিবাহের ব্যবস্থা করে দিতে পারেন ইনশা-আল্লাহ। আমলঃ দ্রুত বিয়ের জন্য আপনি আল্লাহর কাছে দু'আ করুন।সালাতুল হাজত পড়ে দু'আ করুন। সূরা ফুরকানের ৭৪ নং আয়াত পাঠ করবেন। একাকি ফরয নামায বা নফল নামাযের শেষ বৈঠকে তাশাহুদ, দুরুদ শরীফ,সহ দু'আয়ে মাছুরা পড়ার পর সূরায়ে ফুরকানের ৭৪নং আয়া পড়তে পারেন।অনেক বুজুর্গানে কেরাম ও শায়েখগণ এ আ'মলের পরামর্শ দিয়েছেন। সূরা ফুরকান এর ৭৪ নং আয়াতে মহান আল্লাহ্পাক বলেন وَالَّذِينَ يَقُولُونَ رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُت...
হায়েজ/ঋতুস্রাব/ মাসিকের কত দিন পর নামাজ আদায় করা যাবে?

হায়েজ/ঋতুস্রাব/ মাসিকের কত দিন পর নামাজ আদায় করা যাবে?

নারীদের আমল, প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্নঃ মহিলারা মাসিক শেষ হওয়ার কত দিন পর নামায আদায় করতে পারবেন? উত্তরঃআমাদের অনেকেরই পিরিয়ড সম্পর্কে সঠিক ধারণা নেই। অনেকেই এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে লজ্জা পান। অনেকেই জানেন না পিরিয়ড হলে কতদিন পর্যন্ত নামাজ-রোজা করা থেকে বিরত থাকতে হয়। ইসলাম এ সম্পর্কে সুষ্টু ও সঠিক ধারণা দিয়েছেন। শরীয়তের পরিভাষায় পিরিয়ডকে হায়েয বলা হয়। পিরিয়ডের সময়সীমা সর্বনিম্ন ৩দিন ৩ রাত এবং সর্বাধিক ১০দিন ১০ রাত। এ সময়গুলোতে নামাজ পড়া নিষেধ।হায়েজের সময়সীমা নিয়ে অনেক মতভেদ লক্ষ্যণীয়। হায়েজ অবস্থায় নামাজ পুরোপুরি মাফ হয়ে যায় এবং পরে কাজা নামাজও পড়তে হয় না। কিন্তু রোজা সাময়িকভাবে বাদ হয় এবং পরে রোজার কাজা আদায় করে নিতে হয়। যখন তাঁর তাহারত হাসিল হবে, অর্থাৎ ব্লিডিং বন্ধ হয়ে যাবে, তখন তাঁদের ওপর ওয়াজিব হচ্ছে গোসল করা। গোসল করার পরে তিনি সালাত আদায় করবেন। যেমন, জোহরের ওয়াক্ত শেষ হয়ে...
ইসলাম ও বিজ্ঞানের গবেষণামতে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা পুরুষদের জন্য ক্ষতিকর কেনো ?

ইসলাম ও বিজ্ঞানের গবেষণামতে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা পুরুষদের জন্য ক্ষতিকর কেনো ?

ইসলাম ও বিজ্ঞান
দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের যেসব ক্ষতি হয়--- দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা ক্ষতিকর কেন? বিজ্ঞান কি বলে? চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণায় দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের যে সব মারাত্মক ক্ষতি হয় : (১) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পেটের উপর কোন চাপ পড়ে না। ফলে দূষিত বায়ু বের হতে পারে না। বরং তা উপর দিকে উঠে যায়। ফলে অস্থিরতা বাড়ে, রক্ত চাপ বাড়ে, হৃদযন্ত্রে স্পন্দন বাড়ে, খাদ্যনালী দিয়ে বার বার হিক্কা আসতে থাকে। (২) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের থলি সরু ও লম্বা হয়ে ঝুলতে থাকে ফলে প্রস্রাবের দূষিত পদার্থগুলো থলির নিচে গিয়ে জমা হয়। অথচ বসে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের থলিতে চাপ লাগে ফলে সহজেই ওসব দূষিত পদার্থ বের হয়ে যায়। (৩) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে কিডনিতে অতি সহজে পাথর সৃষ্টি হয় (৪) দীর্ঘদিন দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের বেগ কমতে থাকে। (৫) যারা নিয়মিত দাড়িয়ে প্...
ইসলামি শরীয়ত মোতাবেক মহিলাদের সাজসজ্জার বিধান।

ইসলামি শরীয়ত মোতাবেক মহিলাদের সাজসজ্জার বিধান।

নারীদের আমল
প্রচলিত বিউটি পার্লারের শরঈঃ সাজগোজ করা, পরিপাটি থাকা এটি মহিলাদের স্বভাবজাত বিষয়। ইসলাম মেয়েদের স্বভাবজাত এ সাজসজ্জার মানসিকতার বিরোধী নয়। তবে এক্ষেত্রে শরয়ী সীমা অতিক্রম করা জায়েজ নয়। এমন কোন কাজ করা উচিত নয়, যদ্ধারা আল্লাহ ও রাসূলের বিধান লঙ্ঘিত হয়। সাজসজ্জার ক্ষেত্রে ইসলামের মূলনীতি হল, যে কাজ ইসলামে সম্পূর্ণ অবৈধ, সেকাজ কোনভাবেই কারো জন্যেই করা জায়েজ নয়। এমনকি স্বামীকে খুশি করার জন্যও করা জায়েজ নয়। আল্লাহর নবী সাঃ স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেছেন, لَا طَاعَةَ لِمَخْلُوقٍ فِي مَعْصِيَةِ اللَّهِ আল্লাহ তাআলা অবাধ্য হয়ে কোন সৃষ্টির আনুগত্ব করা জায়েজ নয়। {মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং-১০৯৫, সুনানে তিরমিজী, হাদীস নং-১৭০৭} আর সাজগোজের যেসব বিষয় জায়েজ, তা গায়রে মাহরাম পুরুষদের দেখানোর জন্য করলে জায়েজ নয়, এতে করে সাজগোজকারী গোনাহগার হবে। তবে স্বামীকে খুশি করার জন্য ...
পুরুষদের জন্য লাল ও হলুদ পোশাক পরিধান করার বিধান।

পুরুষদের জন্য লাল ও হলুদ পোশাক পরিধান করার বিধান।

আলোচনা ও আমল
পুরুষদের সম্পূর্ণ একরঙের লাল ও হলুদ কাপড় পড়া নিষেধ। আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পুরুষদেরকে সম্পূর্ণ একরঙের লাল ও হলুদ কাপড় পড়তে নিষেধ করেছেন। উমার রাদিয়াল্লাহু আ'নহু বলেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে লাল রঙের পোশাক পড়তে নিষেধ করেছেন। ( ইবনে মাজাহ ৩৫৯১ ) তবে অন্য হাদীস দ্বারা প্রমানিত হয় যে, শুধু এক কালারের লাল না হয়ে লালের মাঝে যদি অন্য রঙের স্ট্রাইপ/চেক থাকে তাহলে সেটা পড়া জায়েজ আছে। “রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইয়েমেনি লাল হুল্লাহ পড়েছেন।” (বুখারী ৫৮৪৮) উল্লেখ্যঃ তৎকালীন যুগে ইয়েমেনি লাল হুল্লাহর মাঝে কালো স্ট্রাইপ/চেক থাকতো। এ থেকে প্রমানিত হয় যে, লালের মাঝে অন্য রঙের চেক/স্ট্রাইপ থাকলে সেটা পড়া জায়েজ। ইবনুল কাইয়্যিমঃ যাআদ আল-মাআদ। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আলি রাদিয...
পুলসিরাত কি? এ সম্পর্কে সঠিক আকিদা এবং তার উপর দিয়ে অতিক্রম করার বর্ণনাউত্তর।

পুলসিরাত কি? এ সম্পর্কে সঠিক আকিদা এবং তার উপর দিয়ে অতিক্রম করার বর্ণনাউত্তর।

প্রশ্ন ও উত্তর
পুলসিরাত কি? এ সম্পর্কে সঠিক আকিদা এবং তার উপর দিয়ে অতিক্রম করার বর্ণনা: পুলসিরাতের ব্যাপারে আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাতের আকিদা: ইমাম ইবনে আবী যায়দ আল কায়রাওয়ানী (মৃত্যু: ৩৮৭ হি:) বলেন,‌ "পুলসিরাত সত্য। (জাহান্নামের উপর স্থাপিত ব্রিজ বা পুল। জান্নাতে যাওয়ার জন্য এটি অতিক্রম ব্যতীত উপায় নেই)। বান্দারা তাদের আমল অনুসারে পুলিসরাত পার হবে। পুলসিরাত পার হওয়ার সময় যারা জাহান্নামের আগুন থেকে বেঁচে যাবে তাদের পার হওয়ার গতির মধ্যে কমবেশি থাকবে। (অর্থাৎ আমল অনুযায়ী কেউ দ্রুতবেগে আর কেউ মন্থর গতিতে পার হবে)। পুলসিরাত পার হওয়ার সময় কিছু মানুষ তাদের আমলের কারণে জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে।[মুকদ্দামায়ে ইমাম ইবনে আবী যায়দ আল কায়রাওয়ানী: "আকিদা ও বিশ্বাসের মূলকথা" অনুবাদক: আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল] পুলসিরাতের বিবরণ এবং তার উপর দিয়ে অতিক্রম করার বর্ণনাঃ কিয়ামতে...