Monday, August 8
Shadow

Month: October 2021

সবরের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা এবং জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ধৈর্যের প্রয়োজনীয়তা:

সবরের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা এবং জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ধৈর্যের প্রয়োজনীয়তা:

আলোচনা ও আমল
সবরের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তাঃ সবর বা ধৈর্য ধারণ করা আকিদার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। জীবনে বিপদ-মুসিবত নেমে এলে অস্থিরতা প্রকাশ করা যাবে না। বরং ধৈর্য ধারণ করতে হবে। পাশাপাশি আল্লাহর নিকট প্রতিদান পাওয়ার আশা করতে হবে। ইমাম আহমদ রহ. বলেন, “আল্লাহ তায়ালা কুরআনে নব্বই স্থানে সবর সম্পর্কে আলোচনা করেছেন।” হাদিসে বর্ণিত হয়েছে,الصبر ضياء“সবর হল জ্যোতি।” (মুসনাদ আহমদ ও মুসলিম) উমর রা. বলেন, “সবরকে আমরা আমাদের জীবন-জীবিকার সর্বোত্তম মাধ্যম হিসেবে পেয়েছি।” (সহিহ বুখারি) আলী রা. বলেন, “ঈমানের ক্ষেত্রে সবরের উদাহরণ হল দেহের মধ্যে মাথার মত।” এরপর আওয়াজ উঁচু করে বললেন, “যার ধৈর্য নাই তার ঈমান নাই।” আবু সাঈদ খুদরি রা. হতে বর্ণিত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,مَا أَعْطَى اللَّهُ أَحَدًا مِنْ عَطَاءٍ أَوْسَعَ مِنَ الصَّبْرِ“আল্লাহ তায়ালা ধৈর্য...
একজন মহিলার জন্য একই সময় একাধিক স্বামী রাখার অনুমতি নাই কেন

একজন মহিলার জন্য একই সময় একাধিক স্বামী রাখার অনুমতি নাই কেন

ইসলাম ও বিজ্ঞান
ইসলামে একজন মহিলার জন্য এক‌ই সময়ে একাধিক বিয়ে বা একাধিক স্বামী রাখার অনুমতি দেয়া হয়নি কেন! অবশেষে বিজ্ঞানও আল কুরআনের বিধানের নির্ভুল ব্যাখ্যা করতে সক্ষম হলো: একজন ইহুদি ভ্রূণ বিশেষজ্ঞ (যিনি একজন ধর্মীয় পণ্ডিতও ছিলেন) খোলাখুলি বলেছিলেন যে, পৃথিবীতে মুসলিম নারীর চেয়ে পবিত্র ও বিশুদ্ধ নারী অন্য কোন ধর্মে নেই। পুরো ঘটনাটি ঘটেছিল যখন আলবার্ট আইনস্টাইন ইনস্টিটিউটের (Albert Einstein Institution) সাথে যুক্ত একজন ভ্রূণ বিশেষজ্ঞ, ইহুদি পেশাদার রবার্ট, তার ইসলাম গ্রহণের ঘোষণা দেন। যার একমাত্র কারণ ছিল, কুরআনে উল্লেখিত তালাক প্রাপ্ত নারীর ইদ্দতের আদেশ সম্পর্কিত আয়াত এবং ইদ্দতের জন্য তিন মাসের সীমা নির্ধারণের পেছনের রহস্য ও হিকমত সম্পর্কে অবগতি। আল্লাহ তায়ালা কোনো তালাক প্রাপ্ত নারীকে দ্বিতীয় বিয়ের পূর্বে তিন মাসের একটি গ্যাপ রাখতে বলেছেন। তিনি পবিত্র কুরআনে এরশাদ করেন,وَٱلْمُطَلَّق...
জাহান্নাম থেকে মুক্তির ১০ আমল।

জাহান্নাম থেকে মুক্তির ১০ আমল।

আলোচনা ও আমল
জাহান্নাম থেকে মুক্তির ১০ আমলঃ পবিত্র কোরআন ও হাদিসে জাহান্নামের আগুনের উত্তাপের কিছু বিবরণ দেওয়া হয়েছে। এক আয়াতে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘এটা তো লেলিহান অগ্নি, যা গায়ের চামড়া খসিয়ে দেবে।’ (সুরা মাআরিজ, আয়াত : ১৫-১৬) অন্য আয়াতে এসেছে, ‘তাদের মাথার ওপর ঢেলে দেওয়া হবে ফুটন্ত পানি, যা দিয়ে তাদের চামড়া ও পেটের ভেতর যা আছে তা বিগলিত করা হবে।’ (সুরা হজ, আয়াত : ১৯-২০) রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘এক হাজার বছর জাহান্নামকে উত্তপ্ত করা হয়েছে। ফলে তার আগুন রক্তিম বর্ণ ধারণ করেছে। অতঃপর পুনরায় এক হাজার বছর উত্তাপ দেওয়ার ফলে এটি সাদা রং গ্রহণ করেছে। তারপর আরো এক হাজার বছর উত্তাপ দেওয়ার ফলে এর আগুন কৃষ্ণবর্ণ হয়ে গেছে। সুতরাং জাহান্নাম এখন সম্পূণরূপে গাঢ় কালো তমসাচ্ছন্ন।’ (তিরমিজি শরিফ) মহানবী (সা.) ইরশাদ করেন, ‘জাহান্নামের মধ্যে সেই ব্যক্তির শাস্তি সবচেয়ে হালকা হবে, যার...
মহাবীর খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ)।

মহাবীর খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ)।

ইসলাম ও বিজ্ঞান
মহাবীর খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ) মৃত্যুশয্যায় সাহাবী খালিদ বিন ওয়ালিদ। দূর্বল কন্ঠে তাঁর স্ত্রীকে বিছানায় পাশে বসতে বললেন। খুব প্রয়োজনীয় একটি প্রশ্নের উত্তর জানা যে বাকি রয়ে গেছে! এই সেই মহাবীর খালিদ যিনি সর্বকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সেনাপ্রধান। যার নেতৃত্বে মুসলিম বাহিনী ১০০ টিরও বেশি যুদ্ধে অংশ নিয়েছে এবং কোনোটাতেই পরাজয় বরণ করেনি। তার রণকৌশল আজও বিভিন্ন দেশের সেনাবাহিনীতে প্রশিক্ষণের সময় পাঠ্য হিসাবে শিখানো হয়! তাঁর নামে মুসলিম দেশগুলোতে আজও অনেক ব্রিগেড, যুদ্ধবিমান ও নৌযানের নামকরণ করা হয়। এই সেই খালিদ বিন ওয়ালিদ যাকে স্বয়ং রাসূল মুহাম্মদ (সা.) 'সাইফুল্লাহ' উপাধি দিয়েছিলেন, যার মানে আল্লাহর তরবারি। এই সেই খালিদ যিনি মুসলিম বাহিনীর সেনাপ্রধান হিসেবে তুখোড় বিজয়ী আর ক্যারিয়ারের তুঙ্গে থাকা অবস্থায় তৎকালীন খলিফা উমর ইবনুল খাত্তাবের নির্দেশে বিনা বাক্য ব্যয়ে সেনাপ্...
শিশুকে মায়ের দুধ পানে ইসলামের বিধান।

শিশুকে মায়ের দুধ পানে ইসলামের বিধান।

আলোচনা ও আমল
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। শিশুকে মায়ের দুধ পানে ইসলামের বিধান।    শিশুর জন্য মায়ের বুকের দুধ অপরিহার্য। কারণ মায়ের বুকের দুধে রয়েছে শিশুর জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণ ও উপাদানযুক্ত আল্লাহ প্রদত্ত এমন তৈরি খাবার, যা শিশু সহজেই হজম করতে পারে এবং সহজেই শিশুর দেহ বৃদ্ধিতে সহায়ক। তাইতো আল্লাহ তাআলা হজরত মুসা আলাইহিস সালামের জন্মের পর তাঁর মাকে নির্দেশ দেন, ‘আমি মুসার মায়ের অন্তরে ইঙ্গিতে নির্দেশ দিলাম, তাকে দুধ পান করাও।’ (সুরা কাসাস : আয়াত ৭) জন্মের পর শিশুর জন্য সর্বোত্তম খাবার হলো মায়ের বুকের দুধ। আল্লাহ তাআলা প্রত্যেক নবজাতক শিশুর জন্য মায়ের বুকে দুধ সৃষ্টি করে রাখেন। যা হালকা মিষ্টি ও উষ্ণ; যা নবজাতক শিশুর নাজুক অবস্থার জন্য বিশেষ উপযোগী। নবজাতক শিশুকে মায়ের বুকের দুধ পান করানোর প্রতি উদ্বুদ্ধ করতে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘স্তন্যদান...
সামাজিক কুসংস্কারের মুক্তির পথ ইসলাম।

সামাজিক কুসংস্কারের মুক্তির পথ ইসলাম।

আলোচনা ও আমল
কুসংস্কার পরিত্যাজ্যঃ একসঙ্গে কয়েকজন বন্ধু বসে গল্প-গুজব করছে। তাদের মধ্যে কেউ উপস্থিত না হলে তার সম্পর্কে পরস্পরে জিজ্ঞাসাবাদ হতে থাকে, এমতাবস্থায় সে উপস্থিত হলে- অনেকেই বলে উঠে ‘আপনি অনেকদিন বাঁচবেন। ’ কারণ একটু আগেই আপনার কথাই বলছিলাম! এমনই বিভিন্ন ধরনের কুসংস্কার আমাদের ব্যক্তি ও সমাজ জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। সমাজজীবনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে কুসংস্কার সংক্রামক ব্যাধির মতো ছড়িয়ে পড়েছে। অথচ এসব কুসংস্কারে বিশ্বাস ঈমানের জন্য মারাত্মক হুমকি। ইসলামে কুসংস্কারের কোনো স্থান নেই। এমন কাজ, কথা ও প্রথা মানা যার কোনো বাস্তব ও ধর্মীয় ভিত্তি নেই। মানুষের তৈরি যুক্তিহীন এসব ভ্রান্ত বিশ্বাস, কথা, কাজ ও প্রথাকে সহজ বাংলায় কুসংস্কার বলা হয়। এসব কুসংস্কারে কারণে অনেকের জীবন হুমকির সম্মুখীন হয়। আবার কোথাও কুসংস্কারের কবলে জীবনহানীর ঘটনাও ঘটে। কিছু কিছু কুসংস্কার তো শ...
প্রতিটি ভুলের জন্য কি  আলাদা তওবা করতে হয়? পূর্বের পাপ মনে পড়লে কী করব?

প্রতিটি ভুলের জন্য কি আলাদা তওবা করতে হয়? পূর্বের পাপ মনে পড়লে কী করব?

প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন : কেউ যদি একাদিক পাপে লিপ্ত থাকে। এখন সে ভালো হতে চায়। তাহলে সে তওবা করতে গেলে কি প্রতিটি পাপ বা ভুল আলাদাভাবে উল্লেখ করে তওবা করবে? উত্তর : প্রতিটি পাপ আলাদা উল্লেখ করে তওবা করতে হবে না। তওবার জন্য পাপ আলাদা উল্লেখ করার দরকার নেই। তওবা করতে হলে প্রথমত, ওই পাপগুলো থেকে পরিপূর্ণ রুপে ফিরে আসতে হবে। পাপ থেকে পরিপূর্ণভাবে ফিরে আসার নামই তওবা। আপনি হয়তো তওবার ব্যাপারটি বুঝতে পারেননি। তওবা হচ্ছে কাজ ও আমলের বিষয়। পাপ কাজ থেকে পরিপূর্ণভাবে ফিরে আসতে হবে। এরপর আপনি আল্লাহর কাছে ইস্তেগফার করবেন। সাধারণভাবেই বলতে পারেন, আল্লাহ আমি অনেক গুনাহ করেছি আমাকে ক্ষমা করে দিন। এর জন্য নিয়মিত আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। আপনি তওবা ইস্তেগফার করতেই থাকবেন। এভাবে আপনি তওবা ও ইস্তেগফার করবেন। আর অবশ্যই আপনাকে সেসব অপরাধ থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। প্রতিটি আলাদা উল্লেখ করতে হবে না। কারণ আল্লাহতালা সবক...
মযী বা কামরসের বিধান কী?

মযী বা কামরসের বিধান কী?

প্রশ্ন ও উত্তর
 মযী বা কামরসের বিধান কী? জবাব: যৌন উত্তেজনার কারণে মযী (পানির মত পাতলা বীর্য যা অল্প পরিমাণে বের হয়, কিন্তু উত্তেজনা হ্রাস হয় না) বের হলে ওযু ভেঙ্গে যাবে। কিন্তু গোসল করা ফরয হবে না। আর মযী বা কামরস নাপাক। এটি শরীরে বা কাপড়ে লাগলে ধুয়ে ফেলা আবশ্যক। عَنْ سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ، قَالَ كُنْتُ أَلْقَى مِنَ الْمَذْىِ شِدَّةً وَكُنْتُ أُكْثِرُ مِنْهُ الاِغْتِسَالَ فَسَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ ذَلِكَ فَقَالَ :‏ إِنَّمَا يُجْزِيكَ مِنْ ذَلِكَ الْوُضُوءُ ‏‏.‏ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَكَيْفَ بِمَا يُصِيبُ ثَوْبِي مِنْهُ قَالَ ‏: يَكْفِيكَ بِأَنْ تَأْخُذَ كَفًّا مِنْ مَاءٍ فَتَنْضَحَ بِهَا مِنْ ثَوْبِكَ حَيْثُ تُرَى أَنَّهُ أَصَابَهُ ‏ সাহল ইবনু হুসাইফ রাযি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, আমার অত্যধিক মযী নির্গত হত তাই আমি অধিক গোসল করতাম। অতঃপর আমি এ ব্যাপারে...
মৃত ব্যক্তির জন্য নামাজ ও কোরআন পড়া কি ঠিক?

মৃত ব্যক্তির জন্য নামাজ ও কোরআন পড়া কি ঠিক?

প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য নামাজ ও কোরআন পড়া কি ঠিক? উত্তর : মৃত ব্যক্তির জন্য নামাজ ও কোরআন পড়া জায়েজ নেই। এগুলো আল্লাহর জন্য পড়া হয়, কোনো মানুষের জন্য। কোনো ব্যক্তির জন্য নামাজ, রোজা, কোরআন পড়া জায়েজ নেই। বরং এসব করলে এগুলো বেদআত হবে। আপনি এসব ইবাদত করবেন আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। এসব ইবাদত শুধু আল্লাহর জন্য। আপনি যেটা করতে পারেন সেটা হলো, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া করতে পারেন। দান-সদকা করতে পারেন, এসব মৃত ব্যক্তির জন্য করতে পারেন। প্রশ্ন : আমাদের সমাজে কিছু জায়গায় রেওয়াজ আছে , লাশ দাফনের পর কয়েক জন আলেম দিয়ে কোরআন পড়ানো হয়। এটি কি ইসলামে জায়েজ আছে? উত্তর : এ রকম কোনো কিছু ইসলামে জায়েজ নেই। এগুলো একেবারেই ভিত্তিহীন। রাসুল (সা.) হাদিসে বলেছেন, যেসব জিনিস ইসলামে নেই, যিনি নতুন নতুন উদ্ভাবন করেছেন, তিনিও প্রত্যাখ্যাত হলেন, জিনিসগুলোও প্রত্যাখ্যাত হলো। এগুলোকে রাসুল (...
কুসংস্কারের অন্ধকারে জলুক ইসলামের আলো।

কুসংস্কারের অন্ধকারে জলুক ইসলামের আলো।

আলোচনা ও আমল
কুসংস্কারের অন্ধকারে জ্বলুক জ্ঞানের আলো রাত কেন্দ্রিক ২৮টি কুসংস্কারঃ ভূমিকা: ইসলামের দৃষ্টিতে সমস্ত কল্যাণ-অকল্যাণের চাবিকাঠি রয়েছে একমাত্র মহান আল্লাহর হাতে। তার লিখিত তকদিরের বাইরে কেউ কারো উপকার বা ক্ষতি করতে পারে না। কোন বস্তু ও জড়পদার্থ নিজে নিজে কারো উপকার বা ক্ষতি করতে পারে না। কোন পাখির ডাক বা পশুর আওয়াজ মানুষের জন্য কল্যাণ বা অকল্যাণকর বলে বিবেচিত হতে পারে না, কোন বৈধ কাজ কখনো অশুভ হতে পারে না তা রাত বা দিন যখনই করা হোক না কেন। এটা দেখলে এই হয়..ওটা দেখলে ঐ হয় এগুলো সব কুসংস্কার ও জাহেলিয়াত পূর্ণ বিশ্বাস। ইসলাম এ সব ভ্রান্ত বিশ্বাসের কঠোর বিরোধিতা করেছে। মূলত: মানুষের তৈরি যুক্তিহীন এসব ভ্রান্ত বিশ্বাস, কথা, কাজ ও প্রথাকে সহজ বাংলায় কুসংস্কার বলা হয়। ইসলামের সম্পর্কে অজ্ঞতা ও অশিক্ষা যাবতীয় কুসংস্কার সৃষ্টির মূল কারণ। মানুষ চরম অন্ধবিশ্বাসে নান...