Monday, August 8
Shadow

Month: November 2021

হতাশ হবেন না আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন

হতাশ হবেন না আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন

আলোচনা ও আমল
হতাশ হবেন নাঃ- ১) যখন রক্ত সম্পর্কীয় কেউ আপনার সাথেপ্রতারণা করবে, ভেঙ্গে পড়বেন না । মনে রাখবেন, হজরত ইউসুফ (আ:) আপনভাইদের দ্বারা প্রতারিত হয়েছিলেন । ২) যখন পিতামাতা আপনার প্রতিপক্ষ হয়েদাঁড়াবেন, ভেঙ্গে পড়বেন না । মনে রাখবেন, হজরত ইব্রাহিম (আ:) নিজপিতার দ্বারাই আগুনে নিক্ষিপ্ত হয়েছিলেন । ৩) যখন ঘোর বিপদে পতিত হয়ে বের হয়ে আসারআর কোন উপায়ান্তর খুঁজে না পান, আশারশেষ আলোটুকুও দেখতে না পান, ভেঙ্গেপড়বেন না। মনে রাখবেন, হজরত ইউনুস আ: মাছের পেটেরঅন্ধকার প্রকোষ্ট থেকেও উদ্ধার হয়েছিলেন । ৪) যখন আপনার বিরুদ্ধে অপবাদ আরোপ করাহবে আর গুজবে দুনিয়া ছড়িয়ে যাবে, ভেঙ্গেপড়বেন না, এসবে কান দিবেন না । মনে রাখবেন, হজরত আয়শা সিদ্দিকা (রা:)এর বিরুদ্ধেও অপবাদ আরোপ করা হয়েছিল । ৫) যখন আপনি অসুস্থ হয়ে পড়বেন, ব্যাথায়কতরাতে থাকবেন, ভেঙ্গে পড়বেন না ।মনে রাখবেন, হজরত আইয়ুব (আ:)...
ওজু করার সময় গুরুত্বপূর্ণ দোয়া যা সকল মুমিনের মনে মনে বলা উচিত

ওজু করার সময় গুরুত্বপূর্ণ দোয়া যা সকল মুমিনের মনে মনে বলা উচিত

আলোচনা ও আমল
🔴মাইন্ডফুল ওজু🔴 শিক্ষাঃ♥♥""""ওজু করার সময় যখন আমরা ডান হাত ধুই তখন আমরা মনে মনে দুয়া করতে পারি যে হে আল্লাহ আমার এই দুই হাত দিয়ে যেনো কোনো খারাপ কাজ না হয়। ♥♥""""কুলি করার সময় দুয়া করতে পারি যে হে আল্লাহ আমার এই মুখ দিয়ে যেনো কোনো খারাপ কথা,গীবত,পরনিন্দা,চোগলখোরি,মিথ্যা না বের হয়,আমার এই মুখ দিয়ে যেনো তাই বের হয় যা তোমাকে সন্তুষ্ট করে,এই ওজুর পানির মাধ্যমে আমার মুখের বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ নোংরা বের করে দিন হে রব্ব। ♥♥""""নাকে পানি দেয়ার সময় দুয়া করতে পারি যে হে আল্লাহ এই নাক দিয়ে যেন আমি জান্নাতের সুঘ্রাণ পাই ইয়া রব্ব। ♥♥""""মুখে পানি দেওয়ার সময় দুয়া করতে পারি যে হে আল্লাহ আমার এই মুখকে তুমি কিয়ামতের দিন উজ্জল করে দিও প্রভু একে তুমি অন্ধকারাচ্ছন্ন করিও না মালিক। ♥♥""""ডান হাত ধোয়ার সময় দুয়া করতে পারি যে হে আল্লাহ আমার এই হাতে আমাকে আমলনামা লা...
কবরের আজাবের কারন গুলি কি কি?

কবরের আজাবের কারন গুলি কি কি?

আলোচনা ও আমল
আসসালামু আলাইকুম ♦কবরের আজাবের কারন গুলি কি কি? যে সকল গুনাহের কারন জাহান্নামে যেতে হয় সে সব গুনাহের কারনে কবরেও আযাব হয়ে থাকে। এর মধ্যে এমন কিছু গুনাহ রয়েছে যা কবর আযাবের কারন হবে। যেমন: ✔১- চোগলখোরি বা গীবত করা। একের কথা অন্যকে লাগিয়ে সম্পর্ক নস্ট করা বা দুর্নাম করা ✔২- পেশাবের ছিটা থেকে আত্মরক্ষা না করা। ✔৩-অবৈধভাবে যৌন চর্চা বা যিনায় লিপ্ত থাকা। ✔৪- সুদি কারবার করা ✔৫- মিথ্যা কথা বলা ✔৬- কুরআনকে পরিত্যাগ করা অর্থাৎ কুরআন পাঠ ছেড়ে দেয়া। পড়তে না শিখা, মাসের পর মাস কুর আন খুলে না দেখা, ভুলে বসে থাকা ইত্যাদি। ♦কবরের আযাব থেকে বাচার আমল/উপায়গুলি গুলি কি? ✔১- যে কোন গুনাহ থেকে বেচে থাকার চেস্টা করা, বিশেষ করে যে সব কারনে কবরে আযাব হয় তা থেকে বেচে থাকা। ✔২- রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কবরের আযাব থেকে মুক্তি লাভের জন্য তাশাহুদে পাঠ করার জন্য যে দুয়া শ...
রাসুল (সাঃ) কখনো আজান দেন নাই কেন

রাসুল (সাঃ) কখনো আজান দেন নাই কেন

আলোচনা ও আমল
রাসুল (সাঃ) কখনো আজান দেন নাই।।কিন্তু তিনি আজান দিতে বলেছেন। কিন্তু তিনি কেন আজান দেন নাই? একদিন আল্লাহর রাসুল (সঃ) সাহাবিদেরকে বললেন সবাইকে কিভাবে নামাজের জন্য আহবান করা যায়।একজন সাহাবি বললেন, "হে রাসুলুল্লাহ সাঃ, আমরা ঢোল বাজিয়ে সবাইকে নামাজের জন্য ডাকতে পারি।" তখন ঢোল নিষিদ্ধ হয় নাই। আরেকজন বললেন,"আগুন জালিয়ে এটা করা যায়। মানুষে আগুনের ধোঁয়া দেখে বুঝবে নামাজের জন্য ডাকছে।"আরেকজন বললেন,"শিঙ্গা ফুৎকারে সবাইকে ডাকা যায়।" কিন্তু আল্লাহর রাসুল সাঃ এর কারো পরামর্শই পছন্দ হলো না। সবাই নিজের বাড়িতে চলে গেলেন। সেদিন রাতে যায়েদ ইবনে আব্দুল্লাহ স্বপ্নে দেখেন, এক ব্যক্তি শিঙ্গা বিক্রি করছেন। তিনি তখন ঐ ব্যাক্তির কাছে একটা শিঙগা কিনতে চাইলেন। লোকটি জিজ্ঞেস করলেন, এটি দিয়ে আপনি কি করবেন? তখন যায়েদ ইবনে আব্দুল্লাহ বলেন সবাইকে নামাজের জন্য ডাকবো। শিঙ্গা বিক্রেতা তখন বললেন, আমি এমন কিছু বাক...