Wednesday, August 10
Shadow

নারীদের আমল

মাহরাম ও গায়রে মাহরামদের নিকট নারীদের পর্দা কেমন হবে?

মাহরাম ও গায়রে মাহরামদের নিকট নারীদের পর্দা কেমন হবে?

নারীদের আমল
মাহরাম ও গায়রে মাহরামদের নিকট নারীদের পর্দাঃ যৌনাঙ্গকে হিফাজত করতে হবে।যৌনাঙ্গকে হিফাজত করা ও সংযত রাখা পর্দার বড় বিধান। আল্লাহ তা‘আলা নারী-পুরুষ উভয়কে যৌনাঙ্গ হিফাজত করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেছেন।যৌনাঙ্গকে হিফাজত করার অর্থ হল – কুপ্রবৃত্তি চরিতার্থ করার যত পন্থা প্রক্রিয়া আছে, সবগুলো থেকে যৌনাঙ্গকে দূরে রাখা। এতে ব্যভিচার, সমমৈথুন, হস্তমৈথুন, ঘর্ষণ ইত্যাদি সব কাম চরিতার্থমূলক কর্ম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কাম প্রবৃত্তির প্রথম ও প্রারম্ভিক কারণ হচ্ছে দৃষ্টিপাত করা ও দেখা এবং সর্বশেষ পরিণতি হচ্ছে ব্যভিচার। সূরাহ নূরের ৩১ নং আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা এসব বিষয় জোড়ালোভাবে নিষিদ্ধ করে হারাম করে দিয়েছেন। সেই সাথে এতদুভয়ের অন্তর্বতী ভূমিকাসমূহ যেমন – পরস্পর কথাবার্তা বলা, শোনা, স্পর্শ করা, চিঠিপত্র বা এসএমএস আদান-প্রদান করা ইত্যাদি সবই নিষিদ্ধ ও হারাম পরিগণিত হয়েছে। গাইরে মাহরামদের...
হায়েজ/ঋতুস্রাব/ মাসিকের কত দিন পর নামাজ আদায় করা যাবে?

হায়েজ/ঋতুস্রাব/ মাসিকের কত দিন পর নামাজ আদায় করা যাবে?

নারীদের আমল, প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্নঃ মহিলারা মাসিক শেষ হওয়ার কত দিন পর নামায আদায় করতে পারবেন? উত্তরঃআমাদের অনেকেরই পিরিয়ড সম্পর্কে সঠিক ধারণা নেই। অনেকেই এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে লজ্জা পান। অনেকেই জানেন না পিরিয়ড হলে কতদিন পর্যন্ত নামাজ-রোজা করা থেকে বিরত থাকতে হয়। ইসলাম এ সম্পর্কে সুষ্টু ও সঠিক ধারণা দিয়েছেন। শরীয়তের পরিভাষায় পিরিয়ডকে হায়েয বলা হয়। পিরিয়ডের সময়সীমা সর্বনিম্ন ৩দিন ৩ রাত এবং সর্বাধিক ১০দিন ১০ রাত। এ সময়গুলোতে নামাজ পড়া নিষেধ।হায়েজের সময়সীমা নিয়ে অনেক মতভেদ লক্ষ্যণীয়। হায়েজ অবস্থায় নামাজ পুরোপুরি মাফ হয়ে যায় এবং পরে কাজা নামাজও পড়তে হয় না। কিন্তু রোজা সাময়িকভাবে বাদ হয় এবং পরে রোজার কাজা আদায় করে নিতে হয়। যখন তাঁর তাহারত হাসিল হবে, অর্থাৎ ব্লিডিং বন্ধ হয়ে যাবে, তখন তাঁদের ওপর ওয়াজিব হচ্ছে গোসল করা। গোসল করার পরে তিনি সালাত আদায় করবেন। যেমন, জোহরের ওয়াক্ত শেষ হয়ে...
ইসলামি শরীয়ত মোতাবেক মহিলাদের সাজসজ্জার বিধান।

ইসলামি শরীয়ত মোতাবেক মহিলাদের সাজসজ্জার বিধান।

নারীদের আমল
প্রচলিত বিউটি পার্লারের শরঈঃ সাজগোজ করা, পরিপাটি থাকা এটি মহিলাদের স্বভাবজাত বিষয়। ইসলাম মেয়েদের স্বভাবজাত এ সাজসজ্জার মানসিকতার বিরোধী নয়। তবে এক্ষেত্রে শরয়ী সীমা অতিক্রম করা জায়েজ নয়। এমন কোন কাজ করা উচিত নয়, যদ্ধারা আল্লাহ ও রাসূলের বিধান লঙ্ঘিত হয়। সাজসজ্জার ক্ষেত্রে ইসলামের মূলনীতি হল, যে কাজ ইসলামে সম্পূর্ণ অবৈধ, সেকাজ কোনভাবেই কারো জন্যেই করা জায়েজ নয়। এমনকি স্বামীকে খুশি করার জন্যও করা জায়েজ নয়। আল্লাহর নবী সাঃ স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেছেন, لَا طَاعَةَ لِمَخْلُوقٍ فِي مَعْصِيَةِ اللَّهِ আল্লাহ তাআলা অবাধ্য হয়ে কোন সৃষ্টির আনুগত্ব করা জায়েজ নয়। {মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং-১০৯৫, সুনানে তিরমিজী, হাদীস নং-১৭০৭} আর সাজগোজের যেসব বিষয় জায়েজ, তা গায়রে মাহরাম পুরুষদের দেখানোর জন্য করলে জায়েজ নয়, এতে করে সাজগোজকারী গোনাহগার হবে। তবে স্বামীকে খুশি করার জন্য ...
সাদা স্রাব বের হলে মহিলারা নামায আদায় করতে পারবে কী ? ( সাদা স্রাবের মাসআলা )

সাদা স্রাব বের হলে মহিলারা নামায আদায় করতে পারবে কী ? ( সাদা স্রাবের মাসআলা )

নারীদের আমল, প্রশ্ন ও উত্তর
সাদা স্রাবের মাসআলাঃ হাদিসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ তোমাদের কোন ব্যক্তির ওযূ নষ্ট হয়ে গেলে পুনরায় ওযূ না করা পর্যন্ত আল্লাহ তা’আলা তার নামায কবুল করেন না। (সহীহ। আবু দাউদ,৫৪) সাদা স্রাবের মাসআলা হলো : গর্ভাশয় থেকে নির্গত পদার্থ, যা স্বচ্ছ। হতে পারে এটি বের হওয়ার সময় নারী টেরও পায় না। এক মহিলা থেকে অপর মহিলার ক্ষেত্রে এটি বের হওয়ার পরিমাণ কম-বেশি হতে পারে। পক্ষান্তরে, এ তিনটি তরল (বীর্য, কামরস ও স্রাব) এর মাঝে হুকুমগত দিক থেকে পার্থক্য হচ্ছে- বীর্য বের হলে গোসল ফরয হয়; সেটা ঘুমের মধ্যে বের হোক কিংবা জাগ্রত অবস্থায়; সহবাসের কারণে বের হোক কিংবা স্বপ্নদোষের কারণে কিংবা অন্য যে কোন কারণে। আর কামরস বা মযী নাপাক। এটি শরীরে লাগলে ধুয়ে ফেলা ফরয। কাপড়ে লাগলে কাপড় পবিত্র করার জন্য পানি ছিটিয়ে দেয়া যথেষ্ট। কামরস বের হলে ওজু ভেঙ্...
মহিলাদের জন্য কতিপয় জরুরি উপদেশ।

মহিলাদের জন্য কতিপয় জরুরি উপদেশ।

নারীদের আমল
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।   মহিলাদের জন্য কতিপয় জরুরী উপদেশ  ১। পুরাতন কোন বিষয়ে খোঁটা দেয়া বড়ই অন্যায়। মহিলাদের এ অভ্যাস খুব বেশি। তারা যে সব বেদনাদায়ক এবং মনঃকষ্টকর ঘটনা ও ঝগড়া-কলহের আপোস-মীমাংসা হয়ে গেছে, অনুরূপ নতুন কোন ঘটনা উপস্থিত হলে তারা সে পুরান কাহিনী নিয়ে খোঁটা দিয়ে দ্বন্দ্ব -কলহ বাড়িয়ে দেয়। এতে তারা গুনাহগার তো হয়ই, তদুপরি পুরান দুঃখজনক ঘটনার কথা স্মরণে এলে অন্তর পুনরায় ভারাক্রান্ত হয়ে যায়। ২। শশুর বাড়ীর দোষত্রুটি পিত্রালয়ে বর্ণনা করা ঠিক নয়। তদ্রুপ পিত্রালয়ের প্রশংসা স্বামীর বাড়ী গিয়ে বেশি বেশি প্রচার করতে নেই। ৩। অযথা বেশি কথা বলার অভ্যাস করবে না। ৪। যে সকল রমণী অন্য বাড়ীর কথা নিয়ে এসে তোমার ঘরে আসর জমিয়ে বসে, তুমি তাদের কথায় কখনো যোগ দিবে না। ৫। যে সব মেয়েরা তোমার নিকট পড়তে আসে তাদের দ্বারা নিজ গৃহের কোন কাজ করা...
স্বামীর কাছে আকর্ষণীয় হবার উপায়।

স্বামীর কাছে আকর্ষণীয় হবার উপায়।

নারীদের আমল
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। # স্বামীর জন্য সাজুন : আপনিই শুরু করুন। বাইরে যাওয়ার জন্য সাজবেন না, আপনার স্বামীর জন্য সাজুন। আপনার চার-পাঁচজন সন্তান আছে, সেটা কোন ব্যাপার না, তবুও স্বামীর জন্য সাজুন। বাইরে চারপাশে শয়তান আর ফিতনা ছড়িয়ে আছে। আপনার স্বামীর আপনার মাঝেই সৌন্দর্য দেখা উচিৎ, বাইরের কোন কিছুর মাঝে নয়। # স্বামীর কাছে আকর্ষণীয় হবার উপায় : স্বামীর চোখে আকর্ষণীয় হয়ে উঠার জন্য কি করতে হয়? অনেক বেশি সাজগোজ বা ফিটফাট হয়ে থাকা নাকি খুব ভালো আচার আচরণ? হ্যাঁ, অবশ্যই ভালো আচার আচরণ মানুষের মনে অনেক প্রভাব ফেলে কিন্তু তারপরও ছোট কিছু কাজই স্ত্রীকে স্বামীর চোখে আকর্ষনীয় করে তুলতে পারে। স্বামীর চোখে আকর্ষণীয় ও আবেদনময়ী হয়ে উঠতে খুবই সুন্দর হবার প্রয়োজন নেই, কেবল জানতে হবে কীভাবে নিজেকে আকর্ষণীয় করে তোলা যায়। জেনে নিন ৭টি টিপস। ১) আপনি দেখতে কতটা সু...