Wednesday, August 10
Shadow

প্রশ্ন ও উত্তর

পুলসিরাত কি? এ সম্পর্কে সঠিক আকিদা এবং তার উপর দিয়ে অতিক্রম করার বর্ণনাউত্তর।

পুলসিরাত কি? এ সম্পর্কে সঠিক আকিদা এবং তার উপর দিয়ে অতিক্রম করার বর্ণনাউত্তর।

প্রশ্ন ও উত্তর
পুলসিরাত কি? এ সম্পর্কে সঠিক আকিদা এবং তার উপর দিয়ে অতিক্রম করার বর্ণনা: পুলসিরাতের ব্যাপারে আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাতের আকিদা: ইমাম ইবনে আবী যায়দ আল কায়রাওয়ানী (মৃত্যু: ৩৮৭ হি:) বলেন,‌ "পুলসিরাত সত্য। (জাহান্নামের উপর স্থাপিত ব্রিজ বা পুল। জান্নাতে যাওয়ার জন্য এটি অতিক্রম ব্যতীত উপায় নেই)। বান্দারা তাদের আমল অনুসারে পুলিসরাত পার হবে। পুলসিরাত পার হওয়ার সময় যারা জাহান্নামের আগুন থেকে বেঁচে যাবে তাদের পার হওয়ার গতির মধ্যে কমবেশি থাকবে। (অর্থাৎ আমল অনুযায়ী কেউ দ্রুতবেগে আর কেউ মন্থর গতিতে পার হবে)। পুলসিরাত পার হওয়ার সময় কিছু মানুষ তাদের আমলের কারণে জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে।[মুকদ্দামায়ে ইমাম ইবনে আবী যায়দ আল কায়রাওয়ানী: "আকিদা ও বিশ্বাসের মূলকথা" অনুবাদক: আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল] পুলসিরাতের বিবরণ এবং তার উপর দিয়ে অতিক্রম করার বর্ণনাঃ কিয়ামতে...
প্রশ্ন: কোন হালাল নিয়্যাহ বা মনোবাসনা পূরণ হওয়ার জন্যে -(যেমন, ভালো চাকুরী বা পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করা ইত্যাদি) কি একা বা সম্মিলিতভাবে কুর’আন খতম জায়েজ?

প্রশ্ন: কোন হালাল নিয়্যাহ বা মনোবাসনা পূরণ হওয়ার জন্যে -(যেমন, ভালো চাকুরী বা পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করা ইত্যাদি) কি একা বা সম্মিলিতভাবে কুর’আন খতম জায়েজ?

প্রশ্ন ও উত্তর
নিয়ত বা মনোবাসনা পূরণের জন্য কুরআন খতম করার বিধান কি? সম্মিলিতভাবে কুর'আন খতম কি জায়েজ? প্রশ্ন: কোন হালাল নিয়্যাহ বা মনোবাসনা পূরণ হওয়ার জন্যে -(যেমন, ভালো চাকুরী বা পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করা ইত্যাদি) কি একা বা সম্মিলিতভাবে কুর'আন খতম জায়েজ? উওরঃ বিশেষ কোন নিয়ত পূরণের উদ্দেশ্যে সম্মিলিতভাবে কুরআন খতম করা দ্বীনের মধ্যে নব আবিষ্কৃত বিদআতের অন্তর্ভুক্ত। ইসলামে এ ধরণের কার্যক্রমের কোন ভিত্তি নেই। আর কয়েকজন মিলে ভাগে কুরআন পড়লে তাকে মূলত: খতম বলা যায় না। কেননা, প্রত্যেকেই তার নির্দিষ্ট অংশ পড়েছে। কেউই কুরআন খতম করে নি। যে ব্যক্তি যতটুকু পড়েছে সে ততটুকু সওয়াব পাবে। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন :مَنْ قَرَأَ حَرْفًا مِنْ كِتَابِ اللَّهِ فَلَهُ بِهِ حَسَنَةٌ وَالْحَسَنَةُ بِعَشْرِ أَمْثَا...
সাদা স্রাব বের হলে মহিলারা নামায আদায় করতে পারবে কী ? ( সাদা স্রাবের মাসআলা )

সাদা স্রাব বের হলে মহিলারা নামায আদায় করতে পারবে কী ? ( সাদা স্রাবের মাসআলা )

নারীদের আমল, প্রশ্ন ও উত্তর
সাদা স্রাবের মাসআলাঃ হাদিসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ তোমাদের কোন ব্যক্তির ওযূ নষ্ট হয়ে গেলে পুনরায় ওযূ না করা পর্যন্ত আল্লাহ তা’আলা তার নামায কবুল করেন না। (সহীহ। আবু দাউদ,৫৪) সাদা স্রাবের মাসআলা হলো : গর্ভাশয় থেকে নির্গত পদার্থ, যা স্বচ্ছ। হতে পারে এটি বের হওয়ার সময় নারী টেরও পায় না। এক মহিলা থেকে অপর মহিলার ক্ষেত্রে এটি বের হওয়ার পরিমাণ কম-বেশি হতে পারে। পক্ষান্তরে, এ তিনটি তরল (বীর্য, কামরস ও স্রাব) এর মাঝে হুকুমগত দিক থেকে পার্থক্য হচ্ছে- বীর্য বের হলে গোসল ফরয হয়; সেটা ঘুমের মধ্যে বের হোক কিংবা জাগ্রত অবস্থায়; সহবাসের কারণে বের হোক কিংবা স্বপ্নদোষের কারণে কিংবা অন্য যে কোন কারণে। আর কামরস বা মযী নাপাক। এটি শরীরে লাগলে ধুয়ে ফেলা ফরয। কাপড়ে লাগলে কাপড় পবিত্র করার জন্য পানি ছিটিয়ে দেয়া যথেষ্ট। কামরস বের হলে ওজু ভেঙ্...