Wednesday, August 10
Shadow

হতাশ হবেন না আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন

হতাশ হবেন না আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন

আলোচনা ও আমল
হতাশ হবেন নাঃ- ১) যখন রক্ত সম্পর্কীয় কেউ আপনার সাথেপ্রতারণা করবে, ভেঙ্গে পড়বেন না । মনে রাখবেন, হজরত ইউসুফ (আ:) আপনভাইদের দ্বারা প্রতারিত হয়েছিলেন । ২) যখন পিতামাতা আপনার প্রতিপক্ষ হয়েদাঁড়াবেন, ভেঙ্গে পড়বেন না । মনে রাখবেন, হজরত ইব্রাহিম (আ:) নিজপিতার দ্বারাই আগুনে নিক্ষিপ্ত হয়েছিলেন । ৩) যখন ঘোর বিপদে পতিত হয়ে বের হয়ে আসারআর কোন উপায়ান্তর খুঁজে না পান, আশারশেষ আলোটুকুও দেখতে না পান, ভেঙ্গেপড়বেন না। মনে রাখবেন, হজরত ইউনুস আ: মাছের পেটেরঅন্ধকার প্রকোষ্ট থেকেও উদ্ধার হয়েছিলেন । ৪) যখন আপনার বিরুদ্ধে অপবাদ আরোপ করাহবে আর গুজবে দুনিয়া ছড়িয়ে যাবে, ভেঙ্গেপড়বেন না, এসবে কান দিবেন না । মনে রাখবেন, হজরত আয়শা সিদ্দিকা (রা:)এর বিরুদ্ধেও অপবাদ আরোপ করা হয়েছিল । ৫) যখন আপনি অসুস্থ হয়ে পড়বেন, ব্যাথায়কতরাতে থাকবেন, ভেঙ্গে পড়বেন না ।মনে রাখবেন, হজরত আইয়ুব (আ:)...
ওজু করার সময় গুরুত্বপূর্ণ দোয়া যা সকল মুমিনের মনে মনে বলা উচিত

ওজু করার সময় গুরুত্বপূর্ণ দোয়া যা সকল মুমিনের মনে মনে বলা উচিত

আলোচনা ও আমল
🔴মাইন্ডফুল ওজু🔴 শিক্ষাঃ♥♥""""ওজু করার সময় যখন আমরা ডান হাত ধুই তখন আমরা মনে মনে দুয়া করতে পারি যে হে আল্লাহ আমার এই দুই হাত দিয়ে যেনো কোনো খারাপ কাজ না হয়। ♥♥""""কুলি করার সময় দুয়া করতে পারি যে হে আল্লাহ আমার এই মুখ দিয়ে যেনো কোনো খারাপ কথা,গীবত,পরনিন্দা,চোগলখোরি,মিথ্যা না বের হয়,আমার এই মুখ দিয়ে যেনো তাই বের হয় যা তোমাকে সন্তুষ্ট করে,এই ওজুর পানির মাধ্যমে আমার মুখের বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ নোংরা বের করে দিন হে রব্ব। ♥♥""""নাকে পানি দেয়ার সময় দুয়া করতে পারি যে হে আল্লাহ এই নাক দিয়ে যেন আমি জান্নাতের সুঘ্রাণ পাই ইয়া রব্ব। ♥♥""""মুখে পানি দেওয়ার সময় দুয়া করতে পারি যে হে আল্লাহ আমার এই মুখকে তুমি কিয়ামতের দিন উজ্জল করে দিও প্রভু একে তুমি অন্ধকারাচ্ছন্ন করিও না মালিক। ♥♥""""ডান হাত ধোয়ার সময় দুয়া করতে পারি যে হে আল্লাহ আমার এই হাতে আমাকে আমলনামা লা...
কবরের আজাবের কারন গুলি কি কি?

কবরের আজাবের কারন গুলি কি কি?

আলোচনা ও আমল
আসসালামু আলাইকুম ♦কবরের আজাবের কারন গুলি কি কি? যে সকল গুনাহের কারন জাহান্নামে যেতে হয় সে সব গুনাহের কারনে কবরেও আযাব হয়ে থাকে। এর মধ্যে এমন কিছু গুনাহ রয়েছে যা কবর আযাবের কারন হবে। যেমন: ✔১- চোগলখোরি বা গীবত করা। একের কথা অন্যকে লাগিয়ে সম্পর্ক নস্ট করা বা দুর্নাম করা ✔২- পেশাবের ছিটা থেকে আত্মরক্ষা না করা। ✔৩-অবৈধভাবে যৌন চর্চা বা যিনায় লিপ্ত থাকা। ✔৪- সুদি কারবার করা ✔৫- মিথ্যা কথা বলা ✔৬- কুরআনকে পরিত্যাগ করা অর্থাৎ কুরআন পাঠ ছেড়ে দেয়া। পড়তে না শিখা, মাসের পর মাস কুর আন খুলে না দেখা, ভুলে বসে থাকা ইত্যাদি। ♦কবরের আযাব থেকে বাচার আমল/উপায়গুলি গুলি কি? ✔১- যে কোন গুনাহ থেকে বেচে থাকার চেস্টা করা, বিশেষ করে যে সব কারনে কবরে আযাব হয় তা থেকে বেচে থাকা। ✔২- রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কবরের আযাব থেকে মুক্তি লাভের জন্য তাশাহুদে পাঠ করার জন্য যে দুয়া শ...
রাসুল (সাঃ) কখনো আজান দেন নাই কেন

রাসুল (সাঃ) কখনো আজান দেন নাই কেন

আলোচনা ও আমল
রাসুল (সাঃ) কখনো আজান দেন নাই।।কিন্তু তিনি আজান দিতে বলেছেন। কিন্তু তিনি কেন আজান দেন নাই? একদিন আল্লাহর রাসুল (সঃ) সাহাবিদেরকে বললেন সবাইকে কিভাবে নামাজের জন্য আহবান করা যায়।একজন সাহাবি বললেন, "হে রাসুলুল্লাহ সাঃ, আমরা ঢোল বাজিয়ে সবাইকে নামাজের জন্য ডাকতে পারি।" তখন ঢোল নিষিদ্ধ হয় নাই। আরেকজন বললেন,"আগুন জালিয়ে এটা করা যায়। মানুষে আগুনের ধোঁয়া দেখে বুঝবে নামাজের জন্য ডাকছে।"আরেকজন বললেন,"শিঙ্গা ফুৎকারে সবাইকে ডাকা যায়।" কিন্তু আল্লাহর রাসুল সাঃ এর কারো পরামর্শই পছন্দ হলো না। সবাই নিজের বাড়িতে চলে গেলেন। সেদিন রাতে যায়েদ ইবনে আব্দুল্লাহ স্বপ্নে দেখেন, এক ব্যক্তি শিঙ্গা বিক্রি করছেন। তিনি তখন ঐ ব্যাক্তির কাছে একটা শিঙগা কিনতে চাইলেন। লোকটি জিজ্ঞেস করলেন, এটি দিয়ে আপনি কি করবেন? তখন যায়েদ ইবনে আব্দুল্লাহ বলেন সবাইকে নামাজের জন্য ডাকবো। শিঙ্গা বিক্রেতা তখন বললেন, আমি এমন কিছু বাক...
সবরের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা এবং জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ধৈর্যের প্রয়োজনীয়তা:

সবরের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা এবং জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ধৈর্যের প্রয়োজনীয়তা:

আলোচনা ও আমল
সবরের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তাঃ সবর বা ধৈর্য ধারণ করা আকিদার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। জীবনে বিপদ-মুসিবত নেমে এলে অস্থিরতা প্রকাশ করা যাবে না। বরং ধৈর্য ধারণ করতে হবে। পাশাপাশি আল্লাহর নিকট প্রতিদান পাওয়ার আশা করতে হবে। ইমাম আহমদ রহ. বলেন, “আল্লাহ তায়ালা কুরআনে নব্বই স্থানে সবর সম্পর্কে আলোচনা করেছেন।” হাদিসে বর্ণিত হয়েছে,الصبر ضياء“সবর হল জ্যোতি।” (মুসনাদ আহমদ ও মুসলিম) উমর রা. বলেন, “সবরকে আমরা আমাদের জীবন-জীবিকার সর্বোত্তম মাধ্যম হিসেবে পেয়েছি।” (সহিহ বুখারি) আলী রা. বলেন, “ঈমানের ক্ষেত্রে সবরের উদাহরণ হল দেহের মধ্যে মাথার মত।” এরপর আওয়াজ উঁচু করে বললেন, “যার ধৈর্য নাই তার ঈমান নাই।” আবু সাঈদ খুদরি রা. হতে বর্ণিত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,مَا أَعْطَى اللَّهُ أَحَدًا مِنْ عَطَاءٍ أَوْسَعَ مِنَ الصَّبْرِ“আল্লাহ তায়ালা ধৈর্য...
একজন মহিলার জন্য একই সময় একাধিক স্বামী রাখার অনুমতি নাই কেন

একজন মহিলার জন্য একই সময় একাধিক স্বামী রাখার অনুমতি নাই কেন

ইসলাম ও বিজ্ঞান
ইসলামে একজন মহিলার জন্য এক‌ই সময়ে একাধিক বিয়ে বা একাধিক স্বামী রাখার অনুমতি দেয়া হয়নি কেন! অবশেষে বিজ্ঞানও আল কুরআনের বিধানের নির্ভুল ব্যাখ্যা করতে সক্ষম হলো: একজন ইহুদি ভ্রূণ বিশেষজ্ঞ (যিনি একজন ধর্মীয় পণ্ডিতও ছিলেন) খোলাখুলি বলেছিলেন যে, পৃথিবীতে মুসলিম নারীর চেয়ে পবিত্র ও বিশুদ্ধ নারী অন্য কোন ধর্মে নেই। পুরো ঘটনাটি ঘটেছিল যখন আলবার্ট আইনস্টাইন ইনস্টিটিউটের (Albert Einstein Institution) সাথে যুক্ত একজন ভ্রূণ বিশেষজ্ঞ, ইহুদি পেশাদার রবার্ট, তার ইসলাম গ্রহণের ঘোষণা দেন। যার একমাত্র কারণ ছিল, কুরআনে উল্লেখিত তালাক প্রাপ্ত নারীর ইদ্দতের আদেশ সম্পর্কিত আয়াত এবং ইদ্দতের জন্য তিন মাসের সীমা নির্ধারণের পেছনের রহস্য ও হিকমত সম্পর্কে অবগতি। আল্লাহ তায়ালা কোনো তালাক প্রাপ্ত নারীকে দ্বিতীয় বিয়ের পূর্বে তিন মাসের একটি গ্যাপ রাখতে বলেছেন। তিনি পবিত্র কুরআনে এরশাদ করেন,وَٱلْمُطَلَّق...
জাহান্নাম থেকে মুক্তির ১০ আমল।

জাহান্নাম থেকে মুক্তির ১০ আমল।

আলোচনা ও আমল
জাহান্নাম থেকে মুক্তির ১০ আমলঃ পবিত্র কোরআন ও হাদিসে জাহান্নামের আগুনের উত্তাপের কিছু বিবরণ দেওয়া হয়েছে। এক আয়াতে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘এটা তো লেলিহান অগ্নি, যা গায়ের চামড়া খসিয়ে দেবে।’ (সুরা মাআরিজ, আয়াত : ১৫-১৬) অন্য আয়াতে এসেছে, ‘তাদের মাথার ওপর ঢেলে দেওয়া হবে ফুটন্ত পানি, যা দিয়ে তাদের চামড়া ও পেটের ভেতর যা আছে তা বিগলিত করা হবে।’ (সুরা হজ, আয়াত : ১৯-২০) রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘এক হাজার বছর জাহান্নামকে উত্তপ্ত করা হয়েছে। ফলে তার আগুন রক্তিম বর্ণ ধারণ করেছে। অতঃপর পুনরায় এক হাজার বছর উত্তাপ দেওয়ার ফলে এটি সাদা রং গ্রহণ করেছে। তারপর আরো এক হাজার বছর উত্তাপ দেওয়ার ফলে এর আগুন কৃষ্ণবর্ণ হয়ে গেছে। সুতরাং জাহান্নাম এখন সম্পূণরূপে গাঢ় কালো তমসাচ্ছন্ন।’ (তিরমিজি শরিফ) মহানবী (সা.) ইরশাদ করেন, ‘জাহান্নামের মধ্যে সেই ব্যক্তির শাস্তি সবচেয়ে হালকা হবে, যার...
মহাবীর খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ)।

মহাবীর খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ)।

ইসলাম ও বিজ্ঞান
মহাবীর খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাঃ) মৃত্যুশয্যায় সাহাবী খালিদ বিন ওয়ালিদ। দূর্বল কন্ঠে তাঁর স্ত্রীকে বিছানায় পাশে বসতে বললেন। খুব প্রয়োজনীয় একটি প্রশ্নের উত্তর জানা যে বাকি রয়ে গেছে! এই সেই মহাবীর খালিদ যিনি সর্বকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সেনাপ্রধান। যার নেতৃত্বে মুসলিম বাহিনী ১০০ টিরও বেশি যুদ্ধে অংশ নিয়েছে এবং কোনোটাতেই পরাজয় বরণ করেনি। তার রণকৌশল আজও বিভিন্ন দেশের সেনাবাহিনীতে প্রশিক্ষণের সময় পাঠ্য হিসাবে শিখানো হয়! তাঁর নামে মুসলিম দেশগুলোতে আজও অনেক ব্রিগেড, যুদ্ধবিমান ও নৌযানের নামকরণ করা হয়। এই সেই খালিদ বিন ওয়ালিদ যাকে স্বয়ং রাসূল মুহাম্মদ (সা.) 'সাইফুল্লাহ' উপাধি দিয়েছিলেন, যার মানে আল্লাহর তরবারি। এই সেই খালিদ যিনি মুসলিম বাহিনীর সেনাপ্রধান হিসেবে তুখোড় বিজয়ী আর ক্যারিয়ারের তুঙ্গে থাকা অবস্থায় তৎকালীন খলিফা উমর ইবনুল খাত্তাবের নির্দেশে বিনা বাক্য ব্যয়ে সেনাপ্...
শিশুকে মায়ের দুধ পানে ইসলামের বিধান।

শিশুকে মায়ের দুধ পানে ইসলামের বিধান।

আলোচনা ও আমল
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। শিশুকে মায়ের দুধ পানে ইসলামের বিধান।    শিশুর জন্য মায়ের বুকের দুধ অপরিহার্য। কারণ মায়ের বুকের দুধে রয়েছে শিশুর জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণ ও উপাদানযুক্ত আল্লাহ প্রদত্ত এমন তৈরি খাবার, যা শিশু সহজেই হজম করতে পারে এবং সহজেই শিশুর দেহ বৃদ্ধিতে সহায়ক। তাইতো আল্লাহ তাআলা হজরত মুসা আলাইহিস সালামের জন্মের পর তাঁর মাকে নির্দেশ দেন, ‘আমি মুসার মায়ের অন্তরে ইঙ্গিতে নির্দেশ দিলাম, তাকে দুধ পান করাও।’ (সুরা কাসাস : আয়াত ৭) জন্মের পর শিশুর জন্য সর্বোত্তম খাবার হলো মায়ের বুকের দুধ। আল্লাহ তাআলা প্রত্যেক নবজাতক শিশুর জন্য মায়ের বুকে দুধ সৃষ্টি করে রাখেন। যা হালকা মিষ্টি ও উষ্ণ; যা নবজাতক শিশুর নাজুক অবস্থার জন্য বিশেষ উপযোগী। নবজাতক শিশুকে মায়ের বুকের দুধ পান করানোর প্রতি উদ্বুদ্ধ করতে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘স্তন্যদান...
সামাজিক কুসংস্কারের মুক্তির পথ ইসলাম।

সামাজিক কুসংস্কারের মুক্তির পথ ইসলাম।

আলোচনা ও আমল
কুসংস্কার পরিত্যাজ্যঃ একসঙ্গে কয়েকজন বন্ধু বসে গল্প-গুজব করছে। তাদের মধ্যে কেউ উপস্থিত না হলে তার সম্পর্কে পরস্পরে জিজ্ঞাসাবাদ হতে থাকে, এমতাবস্থায় সে উপস্থিত হলে- অনেকেই বলে উঠে ‘আপনি অনেকদিন বাঁচবেন। ’ কারণ একটু আগেই আপনার কথাই বলছিলাম! এমনই বিভিন্ন ধরনের কুসংস্কার আমাদের ব্যক্তি ও সমাজ জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। সমাজজীবনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে কুসংস্কার সংক্রামক ব্যাধির মতো ছড়িয়ে পড়েছে। অথচ এসব কুসংস্কারে বিশ্বাস ঈমানের জন্য মারাত্মক হুমকি। ইসলামে কুসংস্কারের কোনো স্থান নেই। এমন কাজ, কথা ও প্রথা মানা যার কোনো বাস্তব ও ধর্মীয় ভিত্তি নেই। মানুষের তৈরি যুক্তিহীন এসব ভ্রান্ত বিশ্বাস, কথা, কাজ ও প্রথাকে সহজ বাংলায় কুসংস্কার বলা হয়। এসব কুসংস্কারে কারণে অনেকের জীবন হুমকির সম্মুখীন হয়। আবার কোথাও কুসংস্কারের কবলে জীবনহানীর ঘটনাও ঘটে। কিছু কিছু কুসংস্কার তো শ...